রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৩৬ অপরাহ্ন

News Headline :
পাবনার ঈশ্বরদীতে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় স্বামী-স্ত্রী নিহত রাজশাহীতে পৃথক অভিযানে মাদকসহ গ্রেফতার ৫, আটক ২২ পাবনার ঈশ্বরদীতে ১শ ২০ পিস ইয়াবাসহ একজন মাদক ব্যাবসায়ী গ্রেফতার পাবনায় ১৫০ পিস ইয়াবাসহ তিন মাদক ব্যাবসায়ীকে গ্রেপ্তার পাবনায় হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব শ্রী কৃষ্ণের শুভ জন্মাষ্টমী উদযাপিত আটঘরিয়ায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা, কেক কাটা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত দিল্লিতে মহাবিপদ সংকেত জয়পুরহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় পাহাড়পুরের যুবকের মৃত্যু ‘পয়েন্ট খোলা, তবুও লাইন ক্লিয়ার! অল্পের জন্য রক্ষা বেনাপোল এক্সপ্রেস’ ভুয়া পুলিশ পরিচয়ে বিআরটিএ কার্যালয়ে উপস্থিত যুবক গ্রেফতার

বগুড়া ধুনটে আওয়ামীলীগ নেতার হাতে ইউএন্ও অফিসের ৩ সহকারী লাঞ্চিতের ঘটনার সুরাহা হয়নি

Reading Time: 2 minutes

মোঃ হেলাল উদ্দিন সরকার, ধুনট বগুড়া:
আওয়ামীলীগ নেতা কর্তৃক ইউএনও অফিসের তিন সহকারী লাঞ্ছিত ঘটনায় দুইদিন পেরিয়ে গেলেও কোন সুষ্ঠু সমাধানের ব্যবস্থা গ্রহন না করায় জনমনে শঙ্কা বেড়েই চলছে। বগুড়ার ধুনটে আওয়ালীগ নেতার লাঞ্চনার শিকার হয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের তিন সহকারী। লাঞ্চনাকারী এই নেতার নাম কামরুল ইসলাম তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক। রবিবার বিকেল ৫টায় উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হাই খোকনের সরকারি বাসভবনে এ-ঘটনা ঘটে। এখন পর্যন্ত লাঞ্ছনার ঘটনায় কোনো প্রকার মিমাংসার পদক্ষেপ না নেয়ায় জনমনে আতংক বিরাজ করছে।
এবিষয়ে লাঞ্চনার শিকার ইউএনও’র অফিস সহকারী বাবুল ইসলাম বলেন, রবিবার বিকেলে আমিসহ আরেক সহকারী খোরশেদ আলম ও উপজেলা পরিষদের পিয়ন আবু বক্কার চেয়ারম্যান স্যারের বেতনের চেক সহ সরকারি দাপ্তরিক কাজের ফাইল নিয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল হাই খোকনের সরকারি বাসভবনে যাই। এরপর পিয়ন বক্কার ফাইল নিয়ে দো’তলায় চেয়ারম্যানের কক্ষে পৌঁছালে তিনি কোন ফাইলে স্বাক্ষর না করে তাকে অপমান করে বের করে দেন।আমরা তখন সিঁড়ি দিয়ে নীচে নামতে গেলে কামরুল নামে এক ব্যক্তি ঘরের দরজা বন্ধ করে দিয়ে আমাদের কে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ সহ শারীরিক ভাবে লাঞ্চিত করে।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সঞ্জয় কুমার মহন্ত বলেন, গত ৩১ মার্চ উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল হাই খোকন তার সম্মানী ভাতা, উৎসব ভাতা ও সরকারি গাড়ীর জ্বালানীর খরচের টাকার জন্য ব্যাংক চেকে স্বাক্ষর করতে বলেন। কিন্তু মাস শেষ না হলে ভাতা দেওয়ার নিয়ম না থাকায় সেইদিন স্বাক্ষর করা সম্ভব হয়নি।
পরদিন সরকারি ছুটি থাকায় ৩ এপ্রিল ব্যাংক চেকে স্বাক্ষর করে দাপ্তরিক অন্যান্য ফাইলসহ এক পিয়ন ও দুই অফিস সহকারী দিয়ে তার বাসভবনে পাঠানো হয়। কিন্তু উপজেলা চেয়ারম্যান সরকারি কোন ফাইলে স্বাক্ষর না করে তাদেরকে বের করে দেন। এরপর চেয়ারম্যানের সঙ্গে থাকা কামরুল নামে এক ব্যক্তি আমার অফিস সহকারীদের ঘরের দরজা বন্ধ করে লাঞ্চিত করেন। এবিষয় উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।
তবে এব্যাপারে আওয়ামীলীগ নেতা কামরুল ইসলাম তার বিরুদ্ধে অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তাদেরকে কোন লাঞ্চিত করা হয়নি। শুধুমাত্র কথাকাটাকাটি হয়েছে। এবিষয়ে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হাই খোকনের বক্তব্য নিতে তার মোবাইলে ফোন করা হলে মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়।

Please Share This Post in Your Social Media

Design & Developed BY Hostitbd.Com