সোমবার, ২৭ Jul ২০২৬, ০৯:১৩ অপরাহ্ন

News Headline :
পাবনা জেলা জাসাসের আহবায়ক খালেদ হোসেন পরাগের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও হয়রানির অভিযোগ বিশ্বের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংযোগ গড়ে তুলতে হবে: শিমুল বিশ্বাস শিক্ষক সমাজকে মাদক প্রতিরোধে আরও দায়িত্বশীল হতে হবে: ভূমিমন্ত্রী মিনু বগুড়া শাজাহানপুরে সাড়ে ১৩কেজি গাঁজা সহ স্বামী ও স্ত্রী গ্রেফতার পাবনা র‌্যাবের অভিযানে ২শত৯৫ পিস ইয়াবাসহ ১ জন গ্রেফতার  রাজশাহীতে শিশুদের হৃদরোগ চিকিৎসায় সরকারের সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস ভূমিমন্ত্রীর পাবনা  ঈশ্বরদীতে হার্ডিঞ্জ ব্রিজ এলাকায় মোটরসাইকেল চুরির চেষ্টা, তিন চোর গ্রেফতার মোটরসাইকেল উদ্ধার বদলগাছীতে বিএনপি কর্মীকে মারধর, টাকা কেড়ে নিয়ে মোবাইল ভাঙার অভিযোগ শিশুদের হাতে অপ্রয়োজনীয় স্মার্টফোন নয়: বিভাগীয় কমিশনার পাবনার ভাঙ্গুড়ায় জগন্নাথ দেবের উল্টো রথযাত্রা উৎসব অনুষ্ঠিত

বগুড়া ধুনটে আওয়ামীলীগ নেতার হাতে ইউএন্ও অফিসের ৩ সহকারী লাঞ্চিতের ঘটনার সুরাহা হয়নি

Reading Time: 2 minutes

মোঃ হেলাল উদ্দিন সরকার, ধুনট বগুড়া:
আওয়ামীলীগ নেতা কর্তৃক ইউএনও অফিসের তিন সহকারী লাঞ্ছিত ঘটনায় দুইদিন পেরিয়ে গেলেও কোন সুষ্ঠু সমাধানের ব্যবস্থা গ্রহন না করায় জনমনে শঙ্কা বেড়েই চলছে। বগুড়ার ধুনটে আওয়ালীগ নেতার লাঞ্চনার শিকার হয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের তিন সহকারী। লাঞ্চনাকারী এই নেতার নাম কামরুল ইসলাম তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক। রবিবার বিকেল ৫টায় উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হাই খোকনের সরকারি বাসভবনে এ-ঘটনা ঘটে। এখন পর্যন্ত লাঞ্ছনার ঘটনায় কোনো প্রকার মিমাংসার পদক্ষেপ না নেয়ায় জনমনে আতংক বিরাজ করছে।
এবিষয়ে লাঞ্চনার শিকার ইউএনও’র অফিস সহকারী বাবুল ইসলাম বলেন, রবিবার বিকেলে আমিসহ আরেক সহকারী খোরশেদ আলম ও উপজেলা পরিষদের পিয়ন আবু বক্কার চেয়ারম্যান স্যারের বেতনের চেক সহ সরকারি দাপ্তরিক কাজের ফাইল নিয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল হাই খোকনের সরকারি বাসভবনে যাই। এরপর পিয়ন বক্কার ফাইল নিয়ে দো’তলায় চেয়ারম্যানের কক্ষে পৌঁছালে তিনি কোন ফাইলে স্বাক্ষর না করে তাকে অপমান করে বের করে দেন।আমরা তখন সিঁড়ি দিয়ে নীচে নামতে গেলে কামরুল নামে এক ব্যক্তি ঘরের দরজা বন্ধ করে দিয়ে আমাদের কে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ সহ শারীরিক ভাবে লাঞ্চিত করে।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সঞ্জয় কুমার মহন্ত বলেন, গত ৩১ মার্চ উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল হাই খোকন তার সম্মানী ভাতা, উৎসব ভাতা ও সরকারি গাড়ীর জ্বালানীর খরচের টাকার জন্য ব্যাংক চেকে স্বাক্ষর করতে বলেন। কিন্তু মাস শেষ না হলে ভাতা দেওয়ার নিয়ম না থাকায় সেইদিন স্বাক্ষর করা সম্ভব হয়নি।
পরদিন সরকারি ছুটি থাকায় ৩ এপ্রিল ব্যাংক চেকে স্বাক্ষর করে দাপ্তরিক অন্যান্য ফাইলসহ এক পিয়ন ও দুই অফিস সহকারী দিয়ে তার বাসভবনে পাঠানো হয়। কিন্তু উপজেলা চেয়ারম্যান সরকারি কোন ফাইলে স্বাক্ষর না করে তাদেরকে বের করে দেন। এরপর চেয়ারম্যানের সঙ্গে থাকা কামরুল নামে এক ব্যক্তি আমার অফিস সহকারীদের ঘরের দরজা বন্ধ করে লাঞ্চিত করেন। এবিষয় উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।
তবে এব্যাপারে আওয়ামীলীগ নেতা কামরুল ইসলাম তার বিরুদ্ধে অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তাদেরকে কোন লাঞ্চিত করা হয়নি। শুধুমাত্র কথাকাটাকাটি হয়েছে। এবিষয়ে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হাই খোকনের বক্তব্য নিতে তার মোবাইলে ফোন করা হলে মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়।

Please Share This Post in Your Social Media

Design & Developed BY Hostitbd.Com